দ্য বেঙ্গল পোস্ট

হোম জাতীয় রাজনীতি বিশ্ব খেলা বিনোদন প্রযুক্তি

আপনি কি খুঁজছেন?

পপুলার সার্চ

বাজেট ২০২৬ আইপিএল আপডেট মেট্রোরেল নির্বাচন
শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

দ্য বেঙ্গল পোস্ট

Leading The Digital Narrative

ব্রেকিং নিউজ
● মাসসেরার সংক্ষিপ্ত তালিকায় বাংলাদেশের মোস্তারি ● ৮০ বছরে পা দিয়ে সোহেল রানা বললেন, ‘ধীরে ধীরে ফুরিয়ে যাচ্ছি’ ● ইংল্যান্ডের ‘দ্য হানড্রেড’ ড্রাফটে মুস্তাফিজসহ ২৩ বাংলাদেশি ● ভারতে চীনা রোবট নিজেদের উদ্ভাবন দাবি করে প্রদর্শন ● ট্রাক্টর থেকে পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন, ভারতে যেভাবে এআই ব্যবহার হচ্ছে ● বাংলা ভাষার মাধ্যমে অন্য ভাষা শেখা যাবে গুগল ট্রান্সলেটে ● ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে শহীদ মিনারে মানুষের ঢল ● একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ● ট্রাম্প এখতিয়ারের বাইরে গিয়ে শুল্ক আরোপ করছেন : সুপ্রিম কোর্ট ● অ্যামেচার ফুটবলে ফিফার নজর
আন্তর্জাতিক প্রকাশ: 21 February 2026, 07:54 PM

ট্রাক্টর থেকে পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন, ভারতে যেভাবে এআই ব্যবহার হচ্ছে

Adminসিনিয়র রিপোর্টার

mu@llweb.com

ট্রাক্টরের স্টিয়ারিং হুইলের সঙ্গে লাগানো আইপ্যাডের স্ক্রিনের নির্দিষ্ট স্থানে স্পর্শ করলেন কৃষক বীর ভির্ক। সঙ্গে সঙ্গে ট্রাক্টরটি স্বয়ংক্রিয় মোডে চলে গেল। এরপর খেত থেকে সংগ্রহ করল আলু। 

ঘটনাটি ভারতের উত্তর প্রদেশের কার্নাল শহরের একটি এলাকার। সেখান থেকে প্রায় ১৪৫ কিলোমিটার দূরে রাজধানী নয়াদিল্লির একটি কোচিং সেন্টারেও একইরকম ব্যবস্থা দেখা গেল। সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া শিক্ষার্থীদের হাতে লেখা খাতা স্ক্যান ও মূল্যায়নে অ্যালগরিদম ব্যবহার করছিলেন শেতাঙ্ক পান্ডে নামের এক শিক্ষক।  

আলুর খেত ও কোচিং- দুটি ক্ষেত্রেই অদৃশ্য একটি হাত কাজ করছিল। সেটি হলো- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই। নিজেদের সক্ষমতা বাড়ানো, সময় ও শ্রম বাঁচাতে অনেক ভারতীয় নাগরিক বর্তমানে এআই টুল ব্যবহার করছেন। কৃষক বীর ও শিক্ষক পান্ডের মতে, প্রযুক্তি তাদের উৎপাদনশীলতা বাড়িয়েছে। কর্মক্ষেত্রে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে তারা এআই-এর সম্ভাবনা যাচাই করে দেখছেন।

বীর বলেন, ‘আমার দাদা ও বাবা যে দক্ষতায় কৃষি কাজ করতেন, এখন আমি সেভাবেই করতে পারি। পার্থক্য শুধু আমি প্রযুক্তিকে কাজে লাগাচ্ছি।’

এআই দিয়ে কৃষিকাজ
বীর এআই দিয়ে কৃষি কাজ করার প্রথম ধারণা পান যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের সময়। পড়াশোনার জন্য তিনি দেশটিতে গিয়েছিলেন। ২০২১ সালে ভারতে ফিরে একটি সুইডিশ কোম্পানির কাছে থেকে আধুনিক প্রযুক্তির ট্রাক্টর কেনেন। গত কয়েক বছর ধরে সেটি ব্যবহার করছেন।

এআই সম্বলিত ট্রাক্টরটি খেতে বীজ বপন, সার ছিটানো ও ফসল সংগ্রহ করতে পারে। এটি কিনতে বীরের খরচ হয়েছে প্রায় ৩ হাজার ৮৬৪ ডলার। স্যাটেলাইট সংকেত ব্যবহার করে ট্রাক্টরটি নিখুঁতভাবে চলতে পারে। এ কাজে ডেটাকে যান্ত্রিক গতিতে রূপান্তর করে একটি এআই-চালিত সফটওয়্যার।

কাজের সময় কোনো ত্রুটি দেখা দিলে সিস্টেমটি তা একটি ক্লাউড প্ল্যাটফর্মে আপলোড করে। সফটওয়্যার কোম্পানি সেই ডেটা বিশ্লেষণ করে প্রয়োজনীয় হালনাগাদের পর সরাসরি যন্ত্রটিতে পাঠিয়ে দেয়।

বীর জানান, প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা তাঁর কাজে বড় ভূমিকা রাখে। ট্রাক্টরটি একদম সোজা রেখা বরাবর চলে। এতে কাজের প্রায় অর্ধেক সময় বাঁচে। সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো- এটি নিজে নিজেই কাজ শিখতে পারে।

কোচিং সেন্টারে এআই
ভারতে প্রতিবছর কয়েক লাখ শিক্ষার্থী সরকারি চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতি নেন। তাদের অধিকাংশ বিভিন্ন রাজ্যের শহরগুলোতে কোচিং সেন্টারে পড়াশোনা করেন। ফলে কোচিংয়ের শিক্ষকদের বিপুল সংখ্যক খাতা মূল্যায়ন করতে হয়।

নয়াদিল্লির এমনই একটি কোচিং সেন্টারের শিক্ষক শেতাঙ্ক পান্ডে বলছেন, এআই তাঁর কাজের চাপ অনেক কমিয়ে দিয়েছে। চ্যাটজিপিটি, জেমিনি ও ক্লদ -এর মতো বৃহৎ ভাষা মডেলের পাশাপাশি স্বয়ংক্রিয় টুল ব্যবহার করে তিনি উত্তরপত্র স্ক্যান ও মূল্যায়ন করতে পারেন। নির্দিষ্ট বিষয়ের ওপর স্টাডি ম্যাটেরিয়াল তৈরি ও সিলেবাস সাজাতেও এআই কাজে লাগে। 

পান্ডে বলেন, একই জিনিস বারবার করতে হয়- এমন কাজে এআই সাহায্য করে। এতে ২০-২৫ মিনিটে কয়েক হাজার খাতা মূল্যায়ন করা সম্ভব হয়। পরে শিক্ষকরা সেটি যাচাই করতে গেলে অনেক সময় বাঁচে। একজন শিক্ষার্থীর খাতা মূল্যায়ন করে তার আগের দুর্বলতা ও উন্নতির ব্যাপারেও পরামর্শ দেয় এআই। 

ভারতে এআইয়ের প্রসার ঘটছে
বিশ্বজুড়েই এআইয়ের ব্যবহার বাড়ছে। এমন প্রেক্ষাপটে ভারতের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, স্টার্টআপ ও ব্যক্তি পর্যায়ে কাজের দক্ষতা বাড়াতে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। 

সরকারের পক্ষ থেকেও এআই গবেষণায় অর্থায়ন এবং কর্মীদের প্রশিক্ষণের জন্য জাতীয় পর্যায়ে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে সম্প্রতি এআই শীর্ষ সম্মেলনও আয়োজন করেছে দেশটি। যেখানে শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীরা (সিইও) অংশ নিচ্ছেন।

প্রায় ১০০ কোটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর দেশটি বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম দ্রুত বর্ধনশীল ডিজিটাল বাজার। তাই বৈশ্বিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছেও নিজেদের এআই ব্যবসার প্রসারের জন্য ভারত এখন অন্যতম কেন্দ্র। 

গত ডিসেম্বরে মাইক্রোসফট ভারতে ক্লাউড এবং এআই অবকাঠামো নির্মাণের জন্য চার বছরে ১৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে। গুগলও পাঁচ বছরে ১৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে। ভারতে কোম্পানিটি এআই হাব তৈরিরও পরিকল্পনা করছে।

#বাজেট২০২৬ #জাতীয় সংসদ #অর্থমন্ত্রী #সামাজিক নিরাপত্তা

মন্তব্য (৫টি)

রফিকুল ইসলাম ৩ ঘণ্টা আগে

বাজেটে সাধারণ মানুষের জন্য কিছু নেই। দ্রব্যমূল্য আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছি।

নাজমা আক্তার ৫ ঘণ্টা আগে

ভাতার পরিমাণ বাড়ানো ভাল উদ্যোগ। তবে প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে হবে।

আরও পড়ুন